মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:০৮
শিরোনাম :
দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা,দেখলেই জনমনে আতঙ্ক ! আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সাংগঠনিক সব পদ স্থগিত নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়মের ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর্মচারীরা মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

বাশার আল-আসাদের পতনের পর সিরিয়ায় ফিরেছেন ১০ লাখ শরণার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। বাশার আল-আসাদের পতনের পর গত ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ শরণার্থী সিরিয়া ফিরে এসেছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)। তবে মানবিক কার্যক্রমের জন্য তহবিল কমে আসছে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে ইউএনএইচসিআর জানায়, ‘২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর থেকে মাত্র নয় মাসে ১০ লাখ সিরীয় নিজ দেশে ফিরে গেছেন।’

সংস্থাটি আরও জানায়, সিরিয়ার প্রায় ১৪ বছরের গৃহযুদ্ধ চলাকালে বাস্তুচ্যুত হওয়া আরও ১৮ লাখ মানুষ নিজেদের আদি এলাকায় ফিরে গেছেন।

২০১১ সালে আরব বসন্তের অংশ হিসেবে আসাদ সরকারের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সংঘাতে সিরিয়ার যুদ্ধপূর্ব ১ কোটি ৩০ লাখ জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন।

এই প্রত্যাবর্তনকে ‘রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সিরীয়দের বিশাল আশা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন’ হিসেবে আখ্যা দিলেও ইউএনএইচসিআর বলেছে, অনেক ফিরে আসা মানুষই নিজেদের জীবন পুনর্গঠনে সংগ্রাম করছেন।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘ধ্বংস হয়ে যাওয়া ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো, দুর্বল ও ক্ষতিগ্রস্ত মৌলিক সেবা, কর্মসংস্থানের অভাব এবং অস্থির নিরাপত্তা পরিস্থিতি মানুষের ফিরে আসা ও ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতাকে কঠিন করে তুলছে। ‘

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, সিরিয়ার ভেতরে এখনও ৭০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় আছেন এবং আরও ৪৫ লাখের বেশি মানুষ এখনো বিদেশে অবস্থান করছেন।

সংস্থাটি স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের জন্য বেশি বিনিয়োগ এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জন্য বাড়তি সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে।